মধ্যপ্রাচ্যে যখন শান্তি ফেরানোর চেষ্টা চলছে, ঠিক সেই সময়েই নতুন করে উত্তেজনার আগুন জ্বলে উঠল ইজরায়েল ও পাকিস্তানের মধ্যে। ইসলামাবাদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনার আগে পাকিস্তানের এক মন্ত্রীর মন্তব্যকে ঘিরে কূটনৈতিক বিতর্ক, আর তাতেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে পুরো শান্তি প্রক্রিয়া।
বিতর্কের সূত্রপাত খাজা আসিফের একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট থেকে। তিনি অভিযোগ করেন, 'লেবাননে ইজরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে।' তাঁর কথায়, ইজরায়েল মানবতার জন্য অভিশাপ এবং অশুভ শক্তি। তিনি আরও বলেন, গাজা থেকে শুরু করে ইরান ও লেবানন পর্যন্ত ইজরায়েলের হামলা অব্যাহত রয়েছে। এমনকি তিনি ইজরায়েলকে ঘিরে অত্যন্ত কঠোর ভাষাও ব্যবহার করেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি করেছে।
এই মন্তব্যের পরই ইজরায়েলের পক্ষ থেকেও তীব্র প্রতিক্রিয়া আসে। ইজরায়েলি সরকারের দাবি, 'এমন বক্তব্য কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়, বিশেষ করে যখন পাকিস্তান নিজেকে শান্তি আলোচনার নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরছে।' ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দফতর জানায়, এই ধরনের মন্তব্য শান্তি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয় এবং মধ্যস্থতাকারী দেশের নিরপেক্ষতা নিয়েই সন্দেহ তৈরি করে।
এছাড়াও ইসরায়েলের বিদেশমন্ত্রী অভিযোগ করেন, এই ধরনের বক্তব্য ইহুদি বিদ্বেষমূলক। তিনি বলেন, ইজরায়েল তার নাগরিকদের সুরক্ষায় সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে।
এই ঘটনার মধ্যেই ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। পাকিস্তান সম্প্রতি দুই সপ্তাহের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি গঠনে ভূমিকা রাখলেও এখন তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। লেবাননের পক্ষ থেকেও পরিস্থিতি শান্ত করতে আন্তর্জাতিক সাহায্য চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিতেও চাপ বাড়ছে। হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে উত্তেজনা আবারও বেড়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ইরান সেখানে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। যদিও ইরান পাল্টা অভিযোগ করেছে, ইজরায়েলের সামরিক অভিযানই মূল সমস্যার কারণ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনওরকম বাধা ছাড়াই জাহাজ চলবে। পাশাপাশি 'শীঘ্রই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হবে, ইরানের সঙ্গে থাকুক বা না থাকুক,' এই আশ্বাসও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
বিতর্কের সূত্রপাত খাজা আসিফের একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট থেকে। তিনি অভিযোগ করেন, 'লেবাননে ইজরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে।' তাঁর কথায়, ইজরায়েল মানবতার জন্য অভিশাপ এবং অশুভ শক্তি। তিনি আরও বলেন, গাজা থেকে শুরু করে ইরান ও লেবানন পর্যন্ত ইজরায়েলের হামলা অব্যাহত রয়েছে। এমনকি তিনি ইজরায়েলকে ঘিরে অত্যন্ত কঠোর ভাষাও ব্যবহার করেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি করেছে।
এই মন্তব্যের পরই ইজরায়েলের পক্ষ থেকেও তীব্র প্রতিক্রিয়া আসে। ইজরায়েলি সরকারের দাবি, 'এমন বক্তব্য কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়, বিশেষ করে যখন পাকিস্তান নিজেকে শান্তি আলোচনার নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরছে।' ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দফতর জানায়, এই ধরনের মন্তব্য শান্তি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয় এবং মধ্যস্থতাকারী দেশের নিরপেক্ষতা নিয়েই সন্দেহ তৈরি করে।
এছাড়াও ইসরায়েলের বিদেশমন্ত্রী অভিযোগ করেন, এই ধরনের বক্তব্য ইহুদি বিদ্বেষমূলক। তিনি বলেন, ইজরায়েল তার নাগরিকদের সুরক্ষায় সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে।
এই ঘটনার মধ্যেই ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। পাকিস্তান সম্প্রতি দুই সপ্তাহের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি গঠনে ভূমিকা রাখলেও এখন তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। লেবাননের পক্ষ থেকেও পরিস্থিতি শান্ত করতে আন্তর্জাতিক সাহায্য চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিতেও চাপ বাড়ছে। হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে উত্তেজনা আবারও বেড়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ইরান সেখানে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। যদিও ইরান পাল্টা অভিযোগ করেছে, ইজরায়েলের সামরিক অভিযানই মূল সমস্যার কারণ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনওরকম বাধা ছাড়াই জাহাজ চলবে। পাশাপাশি 'শীঘ্রই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হবে, ইরানের সঙ্গে থাকুক বা না থাকুক,' এই আশ্বাসও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
আন্তজার্তিক ডেস্ক